বুয়েটের অবদান কী?
যারা “অটোরিকশার” বাইরে বুয়েটের আর কোন অবদান খুঁজে পান না, তাদের জন্যে “ছোট্ট” একটা লেখা –
পদ্মা সেতুর এক্সপার্ট প্যানেলের ১১ জনের মধ্যে ৭ জন ছিলেন বাংলাদেশের। এই সাতজনের সবাই বুয়েটের। সেতু সংক্রান্ত কারিগরি যেকোন বিষয়ে এই কমিটির মতামতই ছিলো চূড়ান্ত। পদ্মা সেতুর রেল প্রকল্পের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলাতেও বুয়েটের বিশেষজ্ঞরা নেতৃত্ব দিয়েছেন। হাতিরঝিল প্রকল্প পুরো পরিকল্পনা করেছিলেন অধ্যাপক ড. মুজিবুর রহমান ও তার টিম। দেশের প্রথম লবণ পরিশোধনাগার ডিজাইন করেছিলেন বুয়েটের প্রকৌশলীরা। দেশের প্রথম প্রিপেইড গ্যাস, বিদ্যুৎ মিটার ও ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন এর ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট করেছে বুয়েট।
নভোথিয়েটার ডিজাইন করেছিলেন বুয়েটের আলী ইমাম; নির্মাণ তদারকি করেছেন অধ্যাপক আলমগীর হাবিবের নেতৃত্বাধীন কমিটি। ওয়েস্টিন হোটেল, বসুন্ধরা সিটি সহ বেশ কিছু বড় প্রকল্পে কাজ করেছেন বুয়েটের আর্কিটেক্ট মুস্তফা খালিদ পলাশ। এছাড়া অন্যান্য কনসালট্যান্সির মধ্যে আছে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ রোড, যমুনা ব্রীজের সিজমিক ইন্সট্রুমেন্টেশন, সৈয়দপুর ব্রীজ, ধরলা ব্রীজ ইত্যাদি।
নেদারল্যান্ডস এর কনসালট্যান্সি প্রতিষ্ঠান হাসকনিং এর সাথে বুয়েটের একটি বিশেষজ্ঞ দল দীর্ঘ কয়েক বছর কাজ করে পায়রা বন্দরের জন্য মাস্টারপ্ল্যান তৈরি করেছে। এই প্রকল্পের দলনেতা সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ইসতিয়াক আহমেদ। ‘৯১ এর ঘূর্ণিঝড়ের পর বুয়েট সাইক্লোন শেল্টার ডিজাইন করে। বঙ্গবন্ধু সেতু, রুপসা সেতু, চট্টগ্রাম বন্দর সম্প্রসারণ, বসুন্ধরা সিটি, যমুনা ফিউচার পার্ক, সিটি সেন্টার, নগর ভবন, গুলিস্তান-যাত্রাবাড়ী ফ্লাইওভার, সরকারি বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবন বুয়েটের বড় বড় কীর্তির মধ্যে কিছু উল্লেখযোগ্য উদাহরণ।
করোনার মধ্যে বায়োমেডিকেল ডিপার্টমেন্ট অক্সিজেট নামক হাই-ফ্লো ন্যাজাল ক্যানুলা বানিয়েছিলো। দেশের earthquake manual, bridge design manual, fire code, national building code প্রণয়নে বুয়েটের অবদান সবারই জানা। মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং ডিপার্টমেন্টের নেতৃত্বে করা প্রজেক্ট গুলোর মধ্যে আছে – সারাদেশে অসংখ্য সল্ট আয়োডাইজেশন প্ল্যান্ট এর ডিজাইন ও ইনস্টলেশন, GK সেচ প্রকল্পের পাম্পিং ফ্যাসিলিটি পুন:স্থাপন, দেশে প্রথমবারের মতো উইন্ড এনার্জি রিসোর্স ম্যাপিং, বাংলাদেশ রেলওয়ের জন্যে নতুন ধরনের ইম্প্যাক্ট টেস্টিং সেটাপ তৈরি ইত্যাদি।
বুয়েটের মেটালার্জি ডিপার্টমেন্ট এর অবদানের মধ্যে আছে বাংলাদেশ সমরাস্ত্র কারখানার জন্যে লিকুইড নাইট্রাইডিং ফ্যাসিলিটি তৈরি, নারায়ণগঞ্জ এর ফুড গ্রেইন সাইলোর জন্যে কম গলনাঙ্কের alloy তৈরি, পদ্মা Oil Ltd এর incinerator ডিজাইন। তাছাড়া বাংলাদেশ রেলওয়ের axel box, axel guide, buffer shank ইত্যাদির ফেইলিউর এনালাইসিস তো বুয়েটের নিত্যদিনের ঘটনা।
CSE, EEE, IPE, ChE বা অন্য ডিপার্টমেন্টের অবদান উল্লেখ করতে গেলে পোস্ট ঢাউস সাইজের হয়ে যাবে।
তাছাড়া দেশের ইন্ডাস্ট্রিগুলোতে কনসালটেন্সি আর দেশের বাইরে বুয়েটিয়ানদের অবদান লিখতে গেলেও আঙুল ব্যথা হয়ে যাবে। সেদিকে না যাই। গবেষণায় অবদান দেখি এবার একটু। ২০২৩ থেকে ২০২৫ এর মধ্যে বুয়েটের ৬টা ডিপার্টমেন্টের মাত্র ৬জন প্রফেসরের রিসার্চ প্রোফাইল শেয়ার করি –
Dr. Md Shahinoor Islam (Chemical Engineering) – ৪৮টি প্রবন্ধ (৩৪টি Q1), সাইটেশন ৪৭৬২
Dr. Suman Saha (Mechanical Engineering) – ৫৭ প্রবন্ধ (৫৩ Q1), সাইটেশন ১০২৬
Dr. Rifat Shahriyar (CSE) – ১৭ প্রবন্ধ, সাইটেশন ১৩২৩
Dr. Ahmed Sharif (MME) – ১৯ প্রবন্ধ (১৩ Q1), সাইটেশন ৮০৪
Dr. Shaikh Anowarul Fattah (EEE) – ৫৮ প্রবন্ধ (১৩ Q1 + বহু কনফারেন্স), সাইটেশন ১৯৭০
Dr. Syed Mithun Ali (IPE) – ৬১ প্রবন্ধ (৪১ Q1), সাইটেশন ৬৩৫৩
এই সংখ্যা আর সাইটেশন শুধুমাত্র গত দুই বছরের। যদিও এই গবেষণাপত্রের সবগুলোতে সবার এক্টিভ ইনভলভমেন্ট আছে এমন না, তারপরেও অন্তত গবেষণায় কোলাবোরেশান আর একটিভিটি কিছুটা হলেও আন্দাজ করা যায় এই সংখ্যাগুলোর মাধ্যমে।
গতবছর দেশের গবেষণায় ১৫টা ফান্ডদাতা এজেন্সির ১১টাই ছিলো বিদেশের। দেশের ৪টার মধ্যে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়, BCSIR এর পাশাপাশি বুয়েট একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে রিসার্চ ফান্ড করেছে। আপনারা যারা বলেন অন্য দেশ হাইপারসনিক, সুপারসনিক জেট/মিসাইল বানাচ্ছে, বুয়েট কেন বানাতে পারছে না? এই প্রশ্নটা সরকারকে করেন – তারা কেন এমন প্রকল্প নিচ্ছে না? গবেষণায়, প্রজেক্টে কেন টাকা দিচ্ছে না? বুয়েটের এতটাও টাকা নেই যেটা দিয়ে এমন প্রজেক্ট হাতে নিবে নিজের টাকা খরচ করে। সরকার যেই টাকা দেয় তার সিংহভাগ খরচ হয় শিক্ষক কর্মচারীদের বেতন ভাতার পিছনেই।
যারা বলেন তো এতকিছুর পরেও বুয়েটের র্যাংকিং ১৪০০ এর দিকে কেন? উত্তরটা খুবই সহজ – র্যাংকিং খুবই সাবজেক্টিভ একটা ব্যাপার। বিশ্বে অনেক রকমের, ভিন্ন ভিন্ন মানদণ্ডের র্যাংকিং হয়। বুয়েট একটা প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়। এখানে ইঞ্জিনিয়ারিং এর বাইরের সাবজেক্ট নিয়ে ডিল করা হয় না। সুতরাং আপনি যখন অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের র্যাংকের তুলনা করছেন সেটা আসলে সঠিক তুলনাই হচ্ছে না। এছাড়া অনেক শিক্ষার্থী স্নাতক শেষে বিদেশে চলে যায় বা চাকরিতে যোগ দেয়, ফলে মাস্টার্স/পিএইচডি ডিগ্রির সংখ্যা কম থাকে – এর জন্যও র্যাংকিং স্কোর কমে যায়।
ফাইনালি, আপনি যখন বলেন – “বুয়েটের চেয়ে ধোলাইখালের ওরা ইঞ্জিনিয়ারিং ভালো পারে” তখন বুঝা যায় আপনি আসলে “ইঞ্জিনিয়ারিং” ব্যাপারটাই বুঝেন না। আপনার কাছে ইঞ্জিনিয়ার মানে গাড়ির নিচে ঢুকে গাড়ির সমস্যা খুঁজে সারাই করা। আপনার এই ডেফিনেশনে টেসলা, ফোর্ড, জেনারেল মোটরস এর ইঞ্জিনিয়াররাও আসলে ইঞ্জিনিয়ার হতে পারেনি। এখন যেহেতু মানুষ নিজে চিন্তা করার চেয়ে অন্যের থেকে ধার করা চিন্তা নিয়ে চলে বেশি, তাই এই গলাবাজির যুগে শো-অফ না করলে কাউকে কিছু বুঝানো যায় না। সেই তাড়না থেকেই এই লেখা। এটাকে ইন্সটিটিউশনাল প্রাইড মনে করলেও কিছু যায় আসে না।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে বুয়েটের প্রচুর সীমাবদ্ধতা আছে, এটা স্বীকার করতেই হবে। ল্যাব, ক্লাসরুম, ফ্যাসিলিটির অনেক অনেক উন্নয়ন দরকার। আরো বেশি গবেষণা, ইনোভেশন দরকার। এরপরেও দেশে তারা যতটুকু অবদান রেখেছে এবং রাখছে সেটা একনলেজ না করে যখন বলেন – অটোরিকশা ছাড়া বুয়েটের আর অবদান কিসে, তখন সেটা আসলে বুয়েট বা তার অবদানকে ছোট করা হয় না বরং আপনার জ্ঞানের দীনতাই প্রকাশ করে।
শাহরিয়ার আব্দুল্লাহ
২৯ আগস্ট, ২০২৫
মিনেসোটা, যুক্তরাষ্ট্র
“BUET দেশের জন্য আসলে কী করেছে?”
কিছুদিন আগে আমি BUET-এর আন্তর্জাতিক র্যাংকিং নিয়ে একটি পোস্ট দিয়েছিলাম।
(For reference again: QS World University Rankings 2026 অনুযায়ী BUET-এর অবস্থান #761–770।
আর QS Subject Ranking (Engineering & Technology) অনুযায়ী BUET রয়েছে #301–350 ব্যান্ডে।) Source: https://www.topuniversities.com/universities/bangladesh-university-engineering-technology?
তখন অনেকেই প্রশ্ন করেছিলেন—“BUET দেশের জন্য আসলে কী করেছে?” স্বাধীনতার পর থেকে আজ পর্যন্ত প্রায় প্রতিটি বড় অবকাঠামো ও জাতীয় প্রকল্পে BUET সরাসরি বা পরোক্ষভাবে জড়িত। সব লিখতে গেলে উপন্যাস হয়ে যাবে, তাই এখানে কেবলমাত্র কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ তুলে ধরছি রেফারেন্স সহ—
১. পদ্মা সেতু
বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় অবকাঠামো প্রকল্প পদ্মা সেতু। আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞ প্যানেলে BUET এর অধ্যাপকেরা নেতৃত্ব দিয়েছেন। সেতুর নকশা, মাটি পরীক্ষা, ভূমিকম্প ঝুঁকি বিশ্লেষণ থেকে শুরু করে বিভিন্ন জটিল টেকনিক্যাল বিষয় সমাধানে BUET এর বিশেষজ্ঞরা সরাসরি কাজ করেছেন।
Source:
https://www.emerald.com/jbren/article-abstract/168/2/181/439756/Design-of-the-Padma-road-and-rail-bridge
https://www.bssnews.net/news/68240
২. যমুনা বহুমুখী সেতু
যমুনা সেতু শুধু পরিবহনের নয়, বিদ্যুৎ ও গ্যাস লাইন বহনেরও কেন্দ্রবিন্দু। এই সেতুর ভূমিকম্প সহনশীল নকশা এবং সিসমিক মনিটরিং সিস্টেম ডিজাইন করেছে BUET এর সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ। প্রকল্পের পুরো সময়জুড়ে BUET টেকনিক্যাল কনসালট্যান্ট হিসেবে কাজ করেছে।
Source: https://www.researchgate.net/publication/265653974_SEISMIC_INSTRUMENTATION_SYSTEM_FOR_JAMUNA_BRIDGE
৩. হাতিরঝিল প্রকল্প
ঢাকার হৃদয়ে আধুনিক নগরায়নের প্রতীক হাতিরঝিল। জলাবদ্ধতা দূরীকরণ, রাস্তা, ব্রিজ, পার্ক—সবকিছু মিলিয়ে এটি এখন ঢাকার অন্যতম আকর্ষণ। পুরো মাস্টারপ্ল্যান তৈরি করেছিলেন BUET-এর প্রফেসর মুজিবুর রহমান ও তার টিম। নগর পরিকল্পনা ও পরিবেশ ব্যবস্থাপনায় BUET-এর এই অবদান অনন্য।
Source:
https://thefinancialexpress.com.bd/national/hc-for-forming-authority-for-management-of-hatirjheel-project-1653393312
https://mujib.buet.ac.bd/exp.html
https://msalamkhan.buet.ac.bd/teaching_msk_files/Hatirjheel_project_2.pdf?
৪. আইকনিক স্থাপত্য (Bashundhara City ও The Westin Dhaka)
বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় শপিং কমপ্লেক্স Bashundhara City এবং বিলাসবহুল হোটেল The Westin Dhaka দুটোই BUET-এর স্থপতি ও অ্যালামনাই মুস্তাফা খালিদ পলাশের নকশায় তৈরি। এগুলো শুধু স্থাপত্য নয়, বরং দেশের বাণিজ্য, সেবা ও পর্যটনে বড় পরিবর্তন এনেছে।
Source:
https://www.tbsnews.net/features/habitat/welcome-age-glass-facades-478026
৫. স্বাস্থ্যখাতে অবদান (OxyJet ও বগুড়া মেডিকেল কলেজ)
OxyJet: কোভিড মহামারিতে BUET-এর বায়োমেডিক্যাল ইঞ্জিনিয়াররা তৈরি করেছেন OxyJet—একটি স্বল্পমূল্যের হাই-ফ্লো অক্সিজেন সরবরাহ ব্যবস্থা, যা বিদ্যুৎ ছাড়াই কাজ করতে পারে। এটি হাসপাতালগুলোতে ব্যবহার হয়ে অনেকের প্রাণ বাঁচিয়েছে।
বগুড়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল: উত্তরাঞ্চলের অন্যতম স্বাস্থ্যকেন্দ্রের অবকাঠামো পরিকল্পনা ও কনসালট্যান্সি দিয়েছে BUET-এর সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ, ফলে একটি টেকসই হাসপাতাল গড়ে উঠেছে।
Source:
https://www.banglajol.info/index.php/BJMED/article/view/66159?
৬. বন্দর ও উপকূল উন্নয়ন (চট্টগ্রাম ও পায়রা বন্দর)
চট্টগ্রাম বন্দর: কর্ণফুলী নদী ও বন্দরের সম্প্রসারণে BUET-এর ওয়াটার রিসোর্স ইঞ্জিনিয়াররা হাইড্রোডাইনামিক মডেলিং ও নদী ক্ষয় বিশ্লেষণ করেছেন।
পায়রা সমুদ্রবন্দর: BUET ও আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান Royal Haskoning যৌথভাবে এই বন্দরের মাস্টারপ্ল্যান তৈরি করেছে। দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির জন্য এটি বিশাল গুরুত্ব বহন করে।
Source:
https://www.observerbd.com/news/535349
৭. সাইক্লোন শেল্টার
১৯৯১ সালের ঘূর্ণিঝড়ের পর দেশের উপকূলে হাজার হাজার সাইক্লোন শেল্টার নির্মাণ করা হয়। এর অনেকগুলোর নকশা ও পরিকল্পনায় BUET সরাসরি কাজ করেছে। এসব আশ্রয়কেন্দ্র আজও উপকূলের কোটি মানুষের জীবনরক্ষাকারী।
Source:
https://desastres.unanleon.edu.ni/pdf/2002/julio/PDF/ENG/DOC5819/doc5819.pdf
https://www.universepg.com/ajssls/analysis-of-cyclone-shelter-patterns-to-build-a-better-shelter-management-a-case-study-of-bangladesh-southern-region
https://www.academia.edu/13655703/A_STUDY_OF_CYCLONE_SHELTERS_IN_THE_COASTAL_BANGLADESH_AN_ASSESSMENT_FROM_GENDER_PERSPECTIVE
৮. জাতীয় বিল্ডিং কোড (BNBC)
ভবন নির্মাণে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশের নিজস্ব National Building Code প্রণয়ন করেছেন BUET এর অধ্যাপকরা। ভূমিকম্প, অগ্নি-নিরাপত্তা ও অবকাঠামোগত মানদণ্ড নির্ধারণে BNBC আজও মূল গাইডলাইন হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।
Source:
https://rise.esmap.org/data/files/library/bangladesh/Energy%20Efficiency/Bangladesh_National%20Building%20Code.pdf
৯. বাংলাদেশ রেলওয়ে
উচ্চগতির ট্রেনসহ বহু রেলওয়ে প্রকল্পে BUET স্থায়ী কনসালট্যান্ট হিসেবে কাজ করছে। ট্র্যাকের নকশা যাচাই, সেতুর সক্ষমতা বিশ্লেষণ, নতুন লোকোমোটিভের স্যুটেবিলিটি স্টাডি সবকিছুতে BUET জড়িত।
Source:
https://www.tbsnews.net/bangladesh/infrastructure/7-old-bridges-get-way-faster-locomotives-railway-east-353221
১০. প্রতিরক্ষা শিল্পে অবদান
বাংলাদেশ অর্ডন্যান্স ফ্যাক্টরির ইস্পাত উপকরণকে আরও টেকসই করতে BUET এর মেটেরিয়ালস অ্যান্ড মেটালার্জিকাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ (আমার বিভাগ) তৈরি করেছে Liquid Nitriding Facility। এটি দেশের প্রতিরক্ষা শিল্পে প্রযুক্তি স্থানান্তরের একটি বড় উদাহরণ।
Source:
Not only that, মাত্র ৬ জন BUET প্রফেসর ২০২৩–২০২৫ সালে মোট ~২৬০টি গবেষণাপত্র প্রকাশ করেছেন এবং প্রায় ১৬,২৩৮ citations অর্জন করেছেন।
(Prof. Muhammad Ashraf Ali (CE): 6,900+ citations; Prof. Md. Shamsul Hoque (CE-Transport): 2,000+; Prof. A.F.M. Saiful Amin (CE-Structures): 1,200+; Prof. Tahmeed M. Al-Hussaini (CE-Geotech/Seismic): 1,800+; Prof. Raquib Ahsan (CE-Structures): 600+; Prof. Tanvir Ahmed (CE-Environment): 2,300+ and so many more)
লেখা: Ahmed Muddassir Raiyan
[/fusion_text][/fusion_builder_column][/fusion_builder_row][/fusion_builder_container]

