কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানী লিমিটেড (অথবা, সংক্ষেপেঃ কেজিডিসিএল) বাংলাদেশের বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীনে চট্টগ্রাম অঞ্চলে গ্যাস বিতরণ সংস্থা হিসাবে কর্মকাণ্ড পরিচালনার জন্যে গঠিত প্রতিষ্ঠান। পেট্রোবাংলার অধীনে ২০১০ সালের সেপ্টেম্বর হতে চালু হওয়া এই প্রতিষ্ঠানটি বর্তমানে বৃহত্তর চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে গ্যাস সরবরাহের কাজে নিয়োজিত রয়েছে।
কাজের বিস্তারিত :
কেজিডিসিএল-এর অধিভূক্ত এলাকা হলো – চট্টগ্রাম, রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি, বান্দরবান ও কক্সবাজার এবং গ্যাস সরবরাহের এলাকা হচ্ছে – চট্টগ্রাম শহর, সিতাকুণ্ড, মিরসরাই, হাটহাজারী, রাউজান, রাঙ্গুনিয়া, পটিয়া, বোয়ালখালি, আনোয়ারা, ফটিকছড়ি, কাপ্তাই এবং রাঙ্গামাটি হিল ট্র্যাকস এর কেপিএম এলাকা। ২০১৮ সালে প্রতিষ্ঠানটি কাতার থেকে বাংলাদেশের প্রথম তরল প্রাকৃতিক গ্যাস চালান কিনে চট্টগ্রাম সিটিতে বিতরণ করার পরিকল্পনা করে।
সম্ভাব্য পোস্টিং:
১.হেড অফিস (২ নং গেইট)
২. হালিশহর অফিস
৩. ফৌজদারহাট (সিজিএস নামে পরিচিত)
লাঞ্চ ভাতা:
উপস্থিতি সাপেক্ষে ১৫০/- করে প্রতিদিন প্রাপ্য।
গ্যাস ভাতা:
প্রতিমাসে ১০৮০/-
এক্স গ্রেশিয়া:
এটা এখন মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন সাপেক্ষে। এভারেজে ১ টা পাওয়া যায় এখন। আগে আরো বেশি পাওয়া যেতো।
প্রফিট শেয়ারিং:
এই কোম্পানি ১৮ লক্ষ এর তকমা থেকে বের হতে পারছে না। অন এভারেজ ৩-৪ লাখ পাওয়া যায়। তবে কাফকো চুক্তির কারণে কর্ণফুলীর আর এখন জোয়ার নেই। ভাটার দিকে।
হোম লোন/হাউজ লোন:
৭ বছরে ৬০,০০,০০০/- পায় তাও অনেক জটিলতা বিদ্যমান। এটিকে ৫ বছরে করার পরিকল্পনা চলমান।
মেডিক্যাল সুবিধা:
প্রতিমাসে ট্রিটমেন্ট এক্সপেন্স এলাউন্স বাবদ ৫০০.০০ টাকা এবং মেডিক্যাল এলাউন্স বাবদ ১৫০০.০০ টাকা পাওয়া যায়। পাশাপাশি বেসিক ট্রিটমেন্ট পাওয়া যায় রেজিটার্ড ডাক্তার দিয়ে। এছাড়াও ইন্স্যুরেন্স ফ্যাসিলিটি আছে কিছু।
ট্রান্সপোর্ট সুবিধা:
লিফটিং সুবিধা আছে। তবে এ বাবদ কিছু টাকা কর্তনযোগ্য।
কোয়ার্টার সুবিধা:
এই সুবিধা আছে। তবে খুবই অপ্রতুল। ইনিশিয়াল পর্যায়ে পাওয়া যায় না একদমই।
পেনশন: নেই। CPF বিদ্যমান।
প্রমোশন:
প্রশাসনে অনেক খারাপ অবস্থা। অর্থ আর টেকনিক্যাল মোটামুটি চলনসই।
পোশাক ভাতা:
শীতকালীন (২৪০০০.০০) এবং গ্রীষ্মকালীন লিভারিজ (৩৬০০০.০০) বাবদ টাকা পাওয়া যায়। গ্রীষ্মকালীন লিভারিজ বছরে একবার আর শীতকালীনটা দুই বছরে একবার ।
LFA:
এক অর্থ বছরে এক বেসিক বাবদ টাকা পাওয়া যায় এবং সাথে ৭ দিন ছুটি।
সর্বোপরি, চাকরি নির্বাচনের ক্ষেত্রে শুধু মাসিক বেতন নয়, বরং প্রতিষ্ঠানের সামগ্রিক সুযোগ-সুবিধা, কাজের পরিবেশ এবং দীর্ঘমেয়াদি ক্যারিয়ার সম্ভাবনা বিবেচনা করাই গুরুত্বপূর্ণ। প্রত্যেকের পারিবারিক, ব্যক্তিগত ও পেশাগত অগ্রাধিকার আলাদা। তাই নিজের Priority অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেওয়াই হবে সবচেয়ে যৌক্তিক। যাদের কাছে শুধু চট্টগ্রামে থাকতে পারলেই হলো তাদের জন্য হরিশঙ্কর জলদাসের মতো ‘আমার কর্ণফুলী’ বলে এটাকে প্রথম দিকে রাখতেই পারেন। কাজের পরিবেশ আপ টু দ্য মার্ক না। যাদের কাছে কাজের পরিবেশ গুরুত্বপূর্ণ এবং চট্টগ্রামে বাড়ি না তাদেরকে এই কোম্পানি অগ্রাধিকারে না রাখার জন্য বিনীত অনুরোধ করা যাচ্ছে। অন্যথায় দিনশেষে মনে হবে- ‘কর্ণফুলী রে তুই আঁরে ডুবাইলিরে…’
https://youtu.be/Vq2sWZ-Ux9I?si=KWGLQ8JeBOXRG7U7
সবার জন্য শুভ কামনা।
পোস্ট কার্টেসি: নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কর্ণফুলীর এ/এম!


